| Why do you want to get married? |
আল্লাহ বলেন,তোমাদের স্ত্রীরা তোমাদের জমির মত, তোমরা যেভাবে চাও সেভাবে তাতে চাষাবাদ কর।
আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, কোন্ রমণী সর্বোত্তম? উত্তরে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যে স্বামী স্ত্রীর প্রতি তাকালে তাকে সন্তুষ্ট করে দেয়, স্বামী কোনো নির্দেশ করলে তা (যথাযথভাবে) পালন করে এবং নিজের প্রয়োজনে ও ধন-সম্পদের ব্যাপারে স্বামীর ইচ্ছার বিরুদ্ধাচরণ করে না। (নাসায়ী ও বায়হাক্বী- শু’আবুল ঈমানে)
(মিসকাতুল মাসাবিহ-৩২৭২)
নবি বলেন,আল্লাহ ছাড়া কাউকে সেজদাহ জায়েজ না,জায়েজ হলে আমি স্ত্রীদের তাদের হাসবেন্দদের সেজদাহ করতে বলতাম।
নবি বলেন কোন সালাম,সিয়াম,পরদা করলে এবং স্বামীর আনুগত্য করলে সে জান্নাতের যেকোন দরজা দিয়ে ডুকতে পারবে।
আবূ সা’ঈদ আল্ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর কিংবা কুরবানীর ঈদের দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদগাহে গেলেন এবং নারীদের নিকট পৌঁছলেন। অতঃপর তাদের উদ্দেশে বললেন, ’’হে নারী সমাজ! তোমরা দান-সদাক্বাহ্ (সাদাকা) কর। কেননা আমাকে অবগত করানো হয়েছে যে, জাহান্নামের অধিকাংশ অধিবাসী নারী সমাজেরই হবে।’’ (এ কথা শুনে) তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! এর কারণ কি? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ’’তোমরা অধিক মাত্রায় অভিসম্পাত করে থাক এবং নিজ স্বামীদের প্রতি অবজ্ঞা প্রদর্শন করে থাক। বুদ্ধি ও দীনদারীতে দুর্বল হবার পরও বিচক্ষণ ও সচেতন পুরুষদের বেওকুফ বানিয়ে দেবার জন্য তোমাদের চেয়ে অধিক পারঙ্গম আমি আর কাউকে দেখিনি।’’
(এ কথা শুনে) নারীরা আরয করলো, হে আল্লাহর রসূল! বুদ্ধি ও দীনের ব্যাপারে আমাদের কী দুর্বলতা রয়েছে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ’’একজন নারীর সাক্ষ্য কি একজন পুরুষের সাক্ষ্যের অর্ধেক নয়?’’ তারা বলল, জি হাঁ! তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, ’’এটাই হলো নারীদের বুদ্ধিমত্তার দুর্বলতা। আর নারীরা মাসিক ঋতু অবস্থায় সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করতে ও সিয়াম পালন করতে পারে না। এটা কি সত্য নয়?’’ তারা উত্তরে বলেন, হাঁ তা-ই। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ ’’এটাই হলো তাদের দীনের দুর্বলতা।’’
সহীহ : বুখারী ৩০৪, মুসলিম ৮০, সহীহাহ্ ১৯০, সহীহ আল জামি‘ ৭৯৮০, ইরওয়া ৯২৪।
স্বামীর কোন সিদ্ধান্তে যদি তার দ্বিমত পোষণ করতে হয় সেটা সে স্বামীকে ধীরে সুস্থে সময় নিয়ে বুঝিয়ে বলতে পারে কিন্তু জেদি মনোভাব এখনই লাগবে এগুলো না করলেই ভালো হয়। মনে করতে হবে অবশ্যই যে স্বামীর তার থেকে একটু বেশি বোঝেন থেকে বয়স বেশি তাই তাকে মান্য করা এই হাদিস অনুযায়ী।
আমি আশা করিনা
আমার শশুর বাড়ি থেকে কোন রকম উপহার
আমার স্ত্রী অনেক রূপবতী হবে।
অনক সুন্দর রান্না করবে।
সকল গুনে ভরপুর হবে।
আমি না আসা অবদি সে না খেয়ে বসে থাকবে।
সবার আগে উঠে সংসারের সব কাজ করবে
এসব কিছুই চাইনা
******চাই সে বাবার বাড়ি থেকে এক কাপড়ে আসুক সুধু নিয়ে আসুক দায়িত্বশীলতা,শ্রদ্ধা, আনুগত্য, দিনদারিতা,সংসারি ঘোড়য়া বউ।
আমার এই বয়সে অনেক দেখেছি জীবন,আপনি যেমন শান্তি চান আমিও চাই শান্তি, শান্তি আসে আল্লাহ এর তরফ থেকে কিন্তু সে জন্য কিছু কাজ করা দরকার,আমি জীবন তাকে দেখি একটা সরল পথ হিসেবে,সেই পথে আমার স্ত্রী হবে আমার পথ চলার সাথী ,এই সরল পথে সকল ঝড় ঝাপটায়ে, সকল বিপদ আপদে, সে হবে আমার শক্তি হবে, বোঝা হবে না।
1....সে আল্লাহ রাসুল এর পর সব থেকে সম্মান করবে আমাকে,আমিও করব তাকে।আবার ও বলছি,আমি তার থেকে সবোচচ সমমান চাই তার শিক্ষক কে যেমন সমমান করে তার থেকেও বেশি সমমান করে।
2....আল্লাহ পুরুষকে তার পরিবার এর
উপর দায়িত্বশীল করেছেন,আল্লাহ পুরুষদের জবাব নিবেন তার পরিবার এর কাজের জন্য,তাই আমার স্ত্রী যেন ইসলামে মানা করে নাই, আমার এমন সকল কথা মেনে নেয়ে, আল্লাহ রাসুল এর পর সম্পুন রুপে আমার আনুগত্য করে।
3....কেউ দোষ গুনের বাইরে না,তেমন ভাবে আমার একটা সমস্যা হল আমি
আমি (না) এই বাক্যটা শোনা পছন্দ করি না।,সে একবারে কোন কাজ করতে অক্ষম না হলে যেন আমার সকল আদেশে (না) এই বাক্যটি বলবে না এটা আশা করি
আর যদি সে ইসলাম এ মানা করে না, এমন কথা বা কাজে আমার আনুগত্য না করে তাহলে সে কোনদিন আমার মনে জায়গা করতে পারবে না।
4.....নবি বলেন,মেয়েরা বেশিরভাগ জাহান্নামে যাবে অকৃতগ্যতার কারনে,তাই সে যেন কৃতজ্ঞ থাকে সবসময়, সুকুর করে আল্লাহ তায়ালার।
Husbend এর মুখের উপর কথা বলাটা আমি পছন্দ করি না।Husbnd এর সাথে ভুলেও বাদানুবাদ করা ঠিক না,কোন কিছু মানতে সমস্যা হলে সেটা স্বামীর মন মেজাজ ভালো হলে,স্বামীকে ভালবেশে নিজের সমস্যা জানানো উচিত।
5......Husbend এর সামনে গলার আওয়াজ নিচু করা,ভুলেও স্বামী কে খোটা,অপমান জনক কথা,মুখে মুখে কথা না বলা,স্ত্রীর গলার আওয়াজ যেন কখোনো ঘর না এমনকি রুমের বাইরে না যায়।
6......কোন কাজে ভুল হলে Husbend কে বলা তার কাছে ক্ষমা চাওয়া,নিজে ভুল না বুজলে Husbwnd যদি ভুল ধরিয়ে দিয়ে সেটা শুধরে নেয়া।
7.....রূপবতী চাইনা,কিন্তু সে নিজের যত্ন করবে তার জা আছে ওইটুকুই আকষনীয় করে পরিপাটি কোরে Husbend এর কাছে তুলে ধরবে, বাচ্চা হলে ভাবা যাবেনা যে আর এসব এর দরকার নেই,এভাবে হাসবেন্দ এর চরিত্ত্র ভাল রাখতে পারবে।At least Husbend এর ৬০ বছর অব্দি নিজেকে সেইভাবে Husbend এর জন্য ঠিকরাখা।
8..... আমি আমার স্ত্রী কে আমার শিক্ষার্থী হিসাবে চাই,প্রথম দিকে তার সাথে আমার সম্পক হবে গুরু আর শিষ্য এর মতন এর পর তার সাথে Understanding হলে সে আমার বন্ধু হবে এর পর সে আমার একসময়ে সব হবে,তার Knowledge এর পাত্র যেন সব সময় অনেকটা খালি থাকে, যেন আমি তার Knowledge এর পাত্র ভরে দিতে পারি।
9..... Husbend না বললে ঘরের বাইরে যওয়া যাবে না কোন সমস্যা হলেই মা বোন কে জানানো থেকে বিরত থাকা লাগবে,যে ঘরের কথা ঘোরের বাইরের কাউকে বলে সেটা আমার পছন্দ না।খারাপ লাগলে হাসবেন্দ কে বলবেন তবে কিছু বিষয় নিজে ধৈ্য ধরে সমাধান করা উচিত।
10.Husbend এর খারাপ সময়ে ধৈ্য ধরা,
কারন একটা সম্পক সারাজীবন এর জন্য খারাপ সময়ে ভাল সময়ে সবই আসতে পারে।স্বামী এক বেলা খেয়ে একবেলা খাওলে, একবেলা খেয়ে Happy থাকার মত ধৈ্য থাকা উচিত।আমি চাই না আমার বউ চাকরি করুক।সকল বিষয় এ স্বামী সিদ্ধান্ত এ Happy থাকার মানুসিকতা আসা করব।
11.Husbend এর কাছে ঘুমানোর আগে,সারাদিন কোন কাজে ভুল হলে তার কাছে ঘুমানোর সময়ে ক্ষমা চেয়ে ঘুমাবে।
আমি মনে করি এই কথা গুলি ফলো করলে শান্তিতে থাকাতা সবাই মিলে সেটা সম্ভব হবে।
*****আমি চাই আমরা যখন বয়স্ক হব তখন যেন দুজন দুজন এর লাঠি হতে পারি। শেষে বলতে চাই তিনি যেন Posivite থাকেন সকল পরিস্থিতিতে,আশাবাদী সফল হবেই একদিন।আল্লাহ বলেন,আশা এবং ভয়ের মাঝে ঈমান
নিহিত।ধন্যবাদ |